1. admin@dailysunrisebangla.com : admin :
বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অসুস্থ সাংবাদিকের পাশে ধামরাই থানার ওসি দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু স্থগিত সিনিয়র স্টাফ নার্সের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ অলিম্পিকের দ্রুততম মানব হয়েছেন ইতালির অ্যাথলেট লেমন্ত মার্সেল জ্যাকবস দুই মডেলের বাসায় অভিযানে মদ,সিসা,ইয়াবা সহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে অসুস্থ সাংবাদিক মোঃ রেজাউল করিম কে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় দেয়া হবে বয়স্কদের টিকা ধামরাইয়ে টাকা না দেওয়ায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন খুলনার চার হাসপাতালে আরও ১৬ জনের মৃত্যু আজ বিশ্ব বাঘ দিবস

আনিসুজ্জামানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সানরাইজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১
  • ৫০ বার পঠিত

গত বছরের এই দিনে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের বয়স হয়ে ছিলো (৮৩)বছ্রর। আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক ছিলেন আনিসুজ্জামান। তিনি ছিলেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক, ভাষা সংগ্রামী, মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী, সংবিধানের অনুবাদক ও দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রবর্তী মানুষ। আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক। ১৯৫৬ ও ১৯৫৭ সালে স্নাতক সম্মান এবং এমএ-তে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন আনিসুজ্জামান। অনার্সে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার কৃতিত্বস্বরূপ ‘নীলকান্ত সরকার স্বর্ণপদক’ বৃত্তি লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ভাষা আন্দোলন, রবীন্দ্র উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলন, রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী আন্দোলন এবং ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলনে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। এছাড়া শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত গণআদালতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। আনিসুজ্জামানের উল্লেখযোগ্য রচনাবলির মধ্যে ‘স্মৃতিপটে সিরাজুদ্দীন হোসেন’, ‘শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্মারকগ্রন্থ’, ‘নারীর কথা’, ‘মধুদা, ফতোয়া’, ‘ওগুস্তে ওসাঁর বাংলা-ফারসি শব্দসংগ্রহ’ ও আইন-শব্দকোষ অন্যতম। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, অলক্ত পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রিতে ভূষিত হয়েছেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ পেয়েছেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২১ দৈনিক সানরাইজ বাংলা
Theme Customized BY Theme Park BD