1. admin@dailysunrisebangla.com : admin :
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাচা ভাতিজার দ্বন্দে প্রাণ হারালেন একই গ্রামের ফরহাদ হোসেন একশ বছর বয়সী বৃদ্ধার রহস্যজনক লাশ উদ্ধার পুকুর থেকে স্কুল ছাত্রের ভাসমান লাশ উদ্ধার ধামরাইয়ে ইজিবাইক-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১,আহত ৩ ৯ নং সুতিপাড়া ইউপি নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ রমিজুর রহমান চৌধুরী রুমা মানিকগঞ্জ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির নয়া কমিটি ঢাকা রেঞ্জের সেরা পুলিশ সুপার নির্বাচিত হলেন গোলাম আজাদ খান ধামরাইয়ে সূতিপাড়া ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৯জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল আ’লীগ নেতাকে ঝাড়ু দিয়ে পেটালেন পৌর কাউন্সিলর মহিলা ইউপি সদস্য কতৃক সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার

ধামরাই (ঢাকা)প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ১৯৯ বার পঠিত
 ঢাকার ধামরাইয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ করার পলাতক আসামী মোঃ জমি মিয়া(৩২)কে দীর্ঘ দুইমাস পর গ্রেফতার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। আজ রবিবার(৪জুলাই)দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার মেরুল বাড্ডা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ,আত্মগোপনে থাকা ধর্ষক জনি মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জনি মিয়া গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার সিনাবহ গ্রামের মৃত খন্দকার মোশারফ হোসেনের ছেলে। জনি ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার চৌহাট গ্রামে মামা ইলিয়াস হোসেনের বাড়ীতে থেকে ডিস লাইনের ব্যবসা করতেন।
গত মে মাসের ২তারিখে ধর্ষিতা বাদি হয়ে ধামরাই থানায় মোঃ জনি ও তার খালা লুৎফা বেগমকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।কিন্তু মামলা হওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে পালাতক ছিলেন জনি। মামলার এজার সুত্রে জানা যায়,  ডিস লাইনের ব্যবসার সুবাধে জনির সাথে একই এলাকার এক তরুনীর সাথে তার পরিচয় হয়। এক পর্যায় জনি মিয়া একদিন ঐ তরুনীর বাড়ীতে যায়। বাড়ীতে গিয়ে তরুনীকে একা পেয়ে জোর করে ঘরের ভিতরে আটকিয়ে রেখে ধর্ষণ করে  এবং বলে এই কথা কাউকে বলা যাবে না । সময় এলে আমি তোমাকে বিয়ে করবো।
 কিছু দিন পর পর ঐ তরুণীর সাথে শারীরিক সর্ম্পকে লিপ্ত হয়। এই কাজের সহযোগী হিসাবে জনির খালা তাকে সহযোগিতা করতো বলে জানান তরুণী। অবৈধ মেলামেশার কারণে এক পর্যায় ঐ তরুণী গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। পরে গর্ভের বাচ্চার বিষয়টি জনি ও তার খালা লুৎফা বেগমকে জানালে তারা তাকে বাচ্চা এভোশন করে বাচ্চা ফেলে দিতে বলে। যদি বাচ্চা ফেলে না দাও তাহলে তোমাকে প্রাণে মেরে ফেলবো। এর পর মেয়েটি নিরুপায় হয়ে ধামরাই থানায় একটি ধর্ষণ মামলা  দায়ের করে ।
এই বিষয়ে কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের এস আই মোঃ মশিউর রহমান সানরাইজ বাংলা কে  বলেন ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী জনি মিয়া মামলা হওয়ার আগেই সে পলাতক ছিল। যার কারণে জনিকে আটক করতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি। পরে প্রযুক্তি ব্যাবহার করে ঢাকার মেরুল বাড্ডা থানা এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী জনিমিয়া কে  গ্রেফতার করা হয়েছে। জনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা ছাড়াও অপহরণের মামলা রয়েছে।মামলার সুষ্ঠু তদন্তর জন্য আসামীকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ রাসেল মোল্লা বলেন, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী জনি মিয়া মামলার আগে থেকেই পলাতক ছিল। পরে এস আই মশিউর রহমান তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহার করে অভিযান চালিয়ে ঢাকার মেরুল বাড্ডা থানা থেকে আত্মগোপনে থাকা জনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২১ দৈনিক সানরাইজ বাংলা
Theme Customized BY Theme Park BD