1. admin@dailysunrisebangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাবের নামে রাস্তা করণের দাবি

মোঃ আব্দুর রউফ,ধামরাই (ঢাকা)প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২৭ বার পঠিত

ঢাকার ধামরাইয়ে এলাকাবাসির আয়োজনে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শফিউদ্দিন (আব্দুল ওহাব)কে বাচিঁয়ে রাখতে তার নামে একটি রাস্তার নাম করণ করার আবেদন করেন মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধারা।কারণ আজকের এই দিনে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন পাক হানাদার বাহিনীদের হাতে সম্মুখ যোদ্ধে নিজের প্রাণকে উৎসর্গ করে বাংলাদেশকে করেছিলেন পাক হানাদার মুক্ত।তাই শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিনকে নতুন প্রজন্মেও কাছে বাচিঁয়ে রাখতে তার নামে একটি রাস্তা করার দাবি জানান শফিউদ্দিনের সহযোদ্ধারা।আজ বুধবার(১৫ডিসেম্বর) বেলা ১২ টার সময় ধামরাই উপজেলা সূতিপাড়া ইউনিয়নের বাথুলি গ্রামে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিনের স্মুতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা কালে এই সব কথা বলেন।

এই সময় শহীদ শফিউদ্দিনের স্বরণে একটি আলোচনা সভায় শহীদ শফিউদ্দিনের যুদ্ধের সময়কাল বর্ণনা করেন সহযোদ্ধারা। এই সময় মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজাহার ইসলাম আরজু বলেন,সালে ১৫ডিসেম্বর আমরা জানতে পারলাম পাক হানাদার বাহীনির সৈনরা ঢাকা আরিচা রাস্তা দিয়ে ধামরাই দিকে আসতেছে। তখন আমি মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন, রহমত আলী,আব্দুল হামিদসহ দশজনের একটি গ্রপ বারবাড়িয়া পশ্চিম পাশে অবস্থান নেয়। সেখানে অবস্থানকালে দেখি পাক হানাদার বাহিনীরা রাস্তা দিয়ে আসার সময় মানিকগঞ্জ এলাকার কিছু অংশ আগুন দিয়ে জালিয়ে দিয়েছে।তখন আমরা তাদের সাথে বারবাড়িয়া থেকে যুদ্ধ করতে করতে বাথুলি এসে অবস্থান নেয় সেখানে বাথুলি কয়েক জায়গায় আগুন দিলে আবার সাথে সেখানে যুদ্ধ বাধেঁ সেই যুদ্ধে মোঃ শফিউদ্দিন (আব্দুল ওহাব) পাক হানাদার বাহিনীদের গুলির আঘাতে মত্যু বরণ করেণ। ঐ এলাকার লোকজন শফিউদ্দিন (আব্দুল ওহাবকে বাথুলি নামক স্থানে কবর দিয়ে দেন।এই সময় দুই চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে প্রিয় সহযোদ্ধাকে বিদায় জানলাম।

মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী বলেন,যুদ্ধকালিন সময়ে শফিউদ্দিন(আব্দুল ওহাব)একসাথে কত রাত না খেয়ে কাটাতে হয়েছে। কত দিন একসাথে জঙ্গলে জঙ্গলে কাটাতে হয়েছে সেই শফিউদ্দিন নিজেদের চোখের সামনে পাক হানাদার বাহিনীর গুলিতে জীবন দিয়ে দিলেন।পরে হানাদার বাহিনীরা আমাদের কাছে পরাজিত হয়ে অত্মসমর্পণ করলেন।আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের নিতি ছিল কেউ যদি অত্মর্থন করে তাহলে তাকে আর কেউ কিছু বলবে না। পরে তাদেরকে ঢাকা ক্যাম্পপে পাঠিয়ে দেওয়া হল। ঘোষনা হল স্বাধীন বাংলাদেশ। তবে আমরা সবায় দেখলাম স্বাধীন বাংলাদেশ কিন্তু শফিউদ্দিন আর সেই স্বাধীন দেখতে পারলো না।তাই শফিউদ্দিনকে বাছিঁয়ে রাখতে তার স্বরণে বাথুলি বাজার থেকে কৃঞ্চপুরা পর্যন্ত রাস্তাটি শহীদ মুক্তিযোদ্দা শফিউদ্দিন(আব্দুল ওহাবের)নামে করার দাবি জানায়। এইবিষয়ে সূতিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম রাজা বলেন,বাংলাদেশ সরকাররের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ প্রতিটি রাস্তা মুক্তিযোদ্ধাদের নামে করা হবে। সেই হিসাবে আমাদের বাথুলি রাস্তাটি শহীদ মুক্তিযোদ্দা মোঃ শফিউদ্দিন (আব্দুল ওহাবের) নামে করার জন্য আমি অতিশীগ্র উপজেলা ইউএনওকে জানিয়ে রাস্তাটি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিনের নাম দেওয়ার চেষ্টা করবো।তিনি আরও বলেন এই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমরা আজ স্বাধীন দেশ পেয়েছি।আজ স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে পারছি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সবই করবো। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, মোঃ আজাহার ইসলাম আরজু, মোহাম্মদ আলী হোসেন, মোঃ রহমত আলী, মোঃ হামেদ আলী, ধামরাই উপজেলার ছাত্রলীগের নেতা আব্দুল আওয়াল রোবেলসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২১ দৈনিক সানরাইজ বাংলা
Theme Customized BY Theme Park BD