1. admin@dailysunrisebangla.com : admin :
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৪:০১ অপরাহ্ন

চলতি ঈদে মোট চারটি সিনেমা রিলিজ হয়েছে

দৈনিক সানরাইজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২
  • ১০১ বার পঠিত

টানা দু’বছর করোনা সংকটের পর চলতি ঈদে মোট চারটি সিনেমা রিলিজ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনুদানের ছবি ‘গলুই’ র পাশাপাশি ‘শান’, ‘বিদ্রোহী’, ‘বড্ড ভালোবাসি’। আগের দিনে সিনেমা হলে দর্শক যেত, শো হাউজফুল হতো। আর এখন সিনেমা ‘হাউজফুল’ হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মানে দর্শক যাক আর না যাক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক শ্রেনীর লোক বলে বেড়ায়, অমুক সিনেমা হিট, তমুক সিনেমা হাউজফুল। আগে সিনেমা হলে দর্শক টিকেট কেটে যেত, আর এখন প্রযোজক-পরিচালকের ভাড়াটে লোকজন সিনেমা হল এবং সিনেপ্লেক্স এর সামনে লম্বা লাইন ধরে ফটোসেশন করে।

সত্যি কথা বললে, এই ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সবগুলো ছবির নব্বই ভাগ বিনিয়োগই হাওয়া-হাওয়া। শুধুমাত্র সরকারী অনুদানে নির্মিত এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘গলুই’ ছবির হারানোর কিছু নেই। কারন এই ছবির টাকা দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। যেই পরিচালক এই অনুদানের টাকা পেলেন ওনার অতীতে আর কোনো সৃজনশীল বা প্রশংসা করার মতো কোন কিছুই নেই। বলা হবে তিনি একাধিক হিট সিনেমার পরিচালক। যদি হিট সিনেমার পরিচালকই অনুদান পাওয়ার একমাত্র বা মুখ্য যোগ্যতা হয় তাহলে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হিট সিনেমা ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ র পরিচালক তোজাম্মেল হক বকুল সাহেবের কাছে একডজন অনুদানের সিনেমা থাকার কথা ছিলো। কিন্তু তিনি তো পাননি!! আর এস এ হক অলিকের রাজনৈতিক পরিচয় কি? সুত্রমতে তিনি ‘খালেদা জিয়ার পুত্র’ ‘হাওয়া ভবনীয়’ পরিচালক মরহুম আমজাদ হোসেনের শিষ্য এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের অন্যতম নাটেরগুরু জেনারেল জিয়া’র আদর্শের সৈনিক। তারমানে এস এ হক অলিক বিএনপি ঘরানার একজন নির্মাতা। তাকে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সিনেমা নির্মানে অনুদানের টাকা কেন দেওয়া হলো এটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করে দেখবে কি?

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে এভাবেই বিএনপি-জামাত ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি একের পর এক ফায়দা লুটে যাচ্ছে আর বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের সৈনিকেরা ক্রমাগত অবহেলিত হচ্ছে।

‘গলুই’, ‘বিদ্রোহী’, কিংবা ‘শান’ তিনটি ছবিই মূলত: সুপার ফ্লপ। আর ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করা কোন এক নারীর প্রযোজনায় নির্মিত ‘বড্ড ভালোবাসি’ মৃত্যুর আগেই চলে গেছে লাশঘরে।

বাংলাদেশের ফিল্ম সেক্টর এক গভীর সংকটের মুখে নিপতিত। একদিকে কোন এক মন্ত্রীর ফরযন্দ বহুল সমালোচিত বালুদস্যুর দাপাদাপি অন্যদিকে এতিমখানার টাকা লুটকারী খালেদাজিয়ার ভাবশিশু ‘সিস্টেম কইরা দিমুর’ কবলে পরে বাংলা চলচ্চিত্র এখন ‘আই সি ইউ’-তে। এ পরিস্থিতি থেকে বাংলা চলচ্চিত্রকে উদ্ধার করতে না পারলে ভবিষ্যতে দোষী-নির্দোষী সবার কপালেই শনির দশা আছে। কারণ বাংলা চলচ্চিত্রের আঁতুড়ঘর বিএফডিসি-তে এখন একমাত্র কাজ হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠনের নির্বাচনের নামে কামড়া-কামড়ি আর পিকনিকের নামে চাঁদাবাজি। এসব অপকর্মের সাথে জড়িত ওই অকালকুষ্মাণ্ডদের এফডিসি চত্বর থেকে বিতাড়িত করতে তরুণ, মেধাবী শিল্পী-কলাকুশলীদের শিগগিরিই জেগে উঠতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২১ দৈনিক সানরাইজ বাংলা
Theme Customized BY Theme Park BD