1. admin@dailysunrisebangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১২:৩০ অপরাহ্ন

পুকুর থেকে স্কুল ছাত্রের ভাসমান লাশ উদ্ধার

ধামরাই(ঢাকা)প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ১৮২ বার পঠিত

ঢাকার ধামরাইয়ে একযুগ পর পিতার পরিণতিই হলো কলেজ পড়ুয়া পুত্র ওমর ফারুক ওরফে বাবুর। বৃহস্পতিবার সকালে পুকুরের পানিতে ভাসমানবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। একদিন নিখোঁজের পর এ মরদেহটি উদ্ধার হয়।

এলাকাবাসীর ধারণামতে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ওই পুকরে তার মরদেহ ফেলে রাখে অজ্ঞাত পরিচয় খুনিরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আমতা ইউনিয়নের বড়নারায়ণপুর এলাকায়। ওই কলেজছাত্র উক্ত গ্রামের দেওয়ান মোঃ রফিকুল ইসলাম মাষ্টারের আপন ভাগ্নে। আজ থেকে ১২বছর আগে ওই কলেজ ছাত্রের পিতা মোঃ বদর উদ্দিন ওরফে বুদ্দু মিয়াকেও তার নিজগ্রাম কাইটামারা এলাকায় রাতের আঁধারে নৃশংসভাবে হত্যার পর নদীর পাড়ে ফেলে রাখে। এরপর ভাগ্নে ওমর ফারুকের জীবনের নিরাপত্তাির কথা বেবে মামা রফিকুল ইসলাম মাষ্টার তাকে নিজবাড়ীতে নিয়ে আসেন। এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানান, বাবা খুন হওয়ার পর মামা মোঃ রফিকুল ইসলাম ভাগ্নে ওমর ফারুক নিজের বাড়ীতে নিয়ে আসে। মামা হলেও তিনি পিতৃ স্নেহে লালন করতে থাকেন ভাগ্নে ওমর ফারুককে।

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া কালুশাহ ডিগ্রী কলেজের এইচ এস সি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল। বুধবার ভোরে ঘুম থেকে উঠার পর ওই কলেজছাত্র ওমর ফারুককে তার শোবার ঘরে পাওয়া যায়নি। দিনগড়িয়ে রাত গভীর হলেও সে বাড়ীতে না ফিরলে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েন মামা রফিকুল ও তার পরিবারের। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনেক খুঁজাখোজির পরও তার সন্ধান পাওয়া না গেলে পরিবারের সদস্যদের চোখের ঘুম হারাম হয়ে যায়। নিরলসভাবে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতেই থাকেন। সকালে পথচারিরা ওই পুকুরে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে ডাক চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি কাওয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি পুকুর থেকে ডাঙয়ি তুলেন। ধারণা করা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহটি পুকুরের ফেলে অজ্ঞাত খুনিরা। মরদেহের ছুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। এব্যাপারে খুন হওয়া কলেজছাত্রের মামা রফিকুল ইসলাম বলেন,দিনের বেলায় ওকে না পেয়ে মনে করি রাতে অবশ্যই ফিরে আসবে। রাতেও যখন বাড়ীতে যখন বাড়ী আসেনি তখন দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখোজিঁ করি। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাইনি। সকালে মিলল তার মরদেহ। যেমন ওর বাবাকে হত্যার পর নদীর পাড়ে ফেলে রেখিছিল ঠিক তেমনি ওকে হত্যা করে পুকুরের পানিতে ফেলে রাখে অজ্ঞাত খুনিরা।

ভাগ্নের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাকে আমার কাছে এনেও আমি তাকে বাঁচাতে পারলামনা। হায়রে নিয়তি! আমি হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি। এব্যাপারে কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এসআই) মোঃ মনিরুজ্জামান মনির বলেন,খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে আসি। এরপর কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করি। ছুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে একটি মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।খুনের মোটিভ উদঘাটন করে খুনিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২১ দৈনিক সানরাইজ বাংলা
Theme Customized BY Theme Park BD